ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেরোবিতে আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা, প্রক্টরের সঙ্গে বিতর্ক

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবাদী ফোরামের একটি আলোচনা সভায় প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা। এ ঘটনায় প্রক্টর প্রফেসর ড. ফেরদৌস রহমানের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

 

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এ ঘটনা ঘটে।

 

বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবু সাঈদ জানান, বিকাল সাড়ে ৩টায় জাতীয়তাবাদী ফোরামের উদ্যোগে আলোচনা সভা শুরু হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৮তম সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় একদল শিক্ষার্থী এ সভার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রক্টরের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে প্রক্টরের আশ্বাসে তারা সেখান থেকে সরে যান।

 

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা চলে যাওয়ার পর সংবাদ সংগ্রহের জন্য কয়েকজন সাংবাদিক সভাকক্ষে প্রবেশের অনুমতি চাইলে প্রক্টর হাতের ইশারায় তাদের প্রবেশে বাধা দেন এবং চলে যেতে বলেন। তখন সভায় উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রফেসর ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, সাংবাদিকদের প্রবেশে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। তারা যখন প্রবেশ করতে চেয়েছেন, তখন অনুষ্ঠান পুরোপুরি শুরু হয়নি।

 

উল্লেখ্য, আলোচনা সভার আমন্ত্রণপত্র অনুযায়ী বিকাল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল।

বিদেশে নেওয়ার প্রলোভনে ৪০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, টাকা ফেরতের দাবিতে গোপালগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন

বেরোবিতে আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা, প্রক্টরের সঙ্গে বিতর্ক

সর্বশেষ আপডেট : ০৬:১৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবাদী ফোরামের একটি আলোচনা সভায় প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা। এ ঘটনায় প্রক্টর প্রফেসর ড. ফেরদৌস রহমানের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

 

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এ ঘটনা ঘটে।

 

বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবু সাঈদ জানান, বিকাল সাড়ে ৩টায় জাতীয়তাবাদী ফোরামের উদ্যোগে আলোচনা সভা শুরু হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৮তম সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় একদল শিক্ষার্থী এ সভার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রক্টরের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে প্রক্টরের আশ্বাসে তারা সেখান থেকে সরে যান।

 

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা চলে যাওয়ার পর সংবাদ সংগ্রহের জন্য কয়েকজন সাংবাদিক সভাকক্ষে প্রবেশের অনুমতি চাইলে প্রক্টর হাতের ইশারায় তাদের প্রবেশে বাধা দেন এবং চলে যেতে বলেন। তখন সভায় উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রফেসর ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, সাংবাদিকদের প্রবেশে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। তারা যখন প্রবেশ করতে চেয়েছেন, তখন অনুষ্ঠান পুরোপুরি শুরু হয়নি।

 

উল্লেখ্য, আলোচনা সভার আমন্ত্রণপত্র অনুযায়ী বিকাল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল।