ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুন্সিগঞ্জে অবৈধ কারেন্ট জাল কারখানায় অভিযান

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নে অবৈধ কারেন্ট জাল উৎপাদনকারী একটি কারখানায় সোমবার(৬ এপ্রিল) ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। দুপুরে উপজেলার ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে বিশাল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও সুতা জব্দ করার পাশাপাশি কারখানার মালিককে আর্থিক দণ্ড প্রদান করা হয়।

 

​অভিযান চলাকালে ওই কারখানা থেকে প্রায় ১০ হাজার বর্গমিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং জাল তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত আনুমানিক ৩ হাজারটি মনোফিলামেন্ট সুতার রিল জব্দ করা হয়। মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারজানা আক্তার এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী অপরাধ স্বীকার করায় কারখানার মালিক আনিসকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

 

​অভিযান শেষে জব্দকৃত নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও সংশ্লিষ্ট মালামালগুলো জনসমক্ষে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনাকালে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসেমসহ মুক্তারপুর নৌপুলিশ এবং মুন্সিগঞ্জ সদর থানা পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কারেন্ট জালের উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধে এ ধরণের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

বিদেশে নেওয়ার প্রলোভনে ৪০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, টাকা ফেরতের দাবিতে গোপালগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন

মুন্সিগঞ্জে অবৈধ কারেন্ট জাল কারখানায় অভিযান

সর্বশেষ আপডেট : ০৫:০৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নে অবৈধ কারেন্ট জাল উৎপাদনকারী একটি কারখানায় সোমবার(৬ এপ্রিল) ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। দুপুরে উপজেলার ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে বিশাল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও সুতা জব্দ করার পাশাপাশি কারখানার মালিককে আর্থিক দণ্ড প্রদান করা হয়।

 

​অভিযান চলাকালে ওই কারখানা থেকে প্রায় ১০ হাজার বর্গমিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং জাল তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত আনুমানিক ৩ হাজারটি মনোফিলামেন্ট সুতার রিল জব্দ করা হয়। মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারজানা আক্তার এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী অপরাধ স্বীকার করায় কারখানার মালিক আনিসকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

 

​অভিযান শেষে জব্দকৃত নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও সংশ্লিষ্ট মালামালগুলো জনসমক্ষে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনাকালে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসেমসহ মুক্তারপুর নৌপুলিশ এবং মুন্সিগঞ্জ সদর থানা পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কারেন্ট জালের উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধে এ ধরণের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।