ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধুলায় শ্বাসরুদ্ধ, বৃষ্টিতে ডুবে পথ-আল্লারদর্গার সড়কের করুণ চিত্র।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল আল্লারদর্গা। নাসির টোব্যাকোসহ একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই জনপদ প্রতিদিন হাজারো মানুষের কর্মচাঞ্চল্যে মুখর থাকে। তবে এলাকার প্রধান সড়কের বেহাল দশা এখন সেই কর্মচাঞ্চল্যকেই যেন থমকে দিচ্ছে।

 

আল্লারদর্গা হাইস্কুল থেকে নাসির টোব্যাকো পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এক সময়ের ইটের রাস্তা এখন ভেঙে গেছে, সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। শুকনো মৌসুমে ধুলার ঝড় আর বর্ষায় জলাবদ্ধতায় রাস্তাটি পরিণত হয় দুর্ভোগের কেন্দ্রস্থলে।

 

এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক ও যানবাহন চলাচল করলেও তাদের জন্য নেই ন্যূনতম স্বস্তি। ধুলাবালির কারণে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট ও অ্যালার্জির মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি। আবার বৃষ্টির দিনে পানি জমে তৈরি হয় কাদা আর দুর্গন্ধ, যা পথচলাকে আরও কষ্টকর করে তোলে।

 

এছাড়া সড়কটি কুষ্টিয়া-প্রাগপুর ও মহিষকুন্ডি জাতীয় সড়কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করায় এর গুরুত্ব অনেক বেশি। কিন্তু রাস্তার সংকীর্ণতা ও ভাঙাচোরা অবস্থার কারণে প্রায়ই সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। এতে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য।

 

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের দাবি জানালেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়েনি। তাদের মতে, অবৈধ দখল ও অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সমস্যা আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

 

এ অবস্থায় এলাকাবাসীর জোর দাবি দায়সারা মেরামত নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে রাস্তা প্রশস্তকরণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। দৌলতপুরের অর্থনৈতিক গতিশীলতা ধরে রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বিদেশে নেওয়ার প্রলোভনে ৪০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, টাকা ফেরতের দাবিতে গোপালগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন

ধুলায় শ্বাসরুদ্ধ, বৃষ্টিতে ডুবে পথ-আল্লারদর্গার সড়কের করুণ চিত্র।

সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল আল্লারদর্গা। নাসির টোব্যাকোসহ একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই জনপদ প্রতিদিন হাজারো মানুষের কর্মচাঞ্চল্যে মুখর থাকে। তবে এলাকার প্রধান সড়কের বেহাল দশা এখন সেই কর্মচাঞ্চল্যকেই যেন থমকে দিচ্ছে।

 

আল্লারদর্গা হাইস্কুল থেকে নাসির টোব্যাকো পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এক সময়ের ইটের রাস্তা এখন ভেঙে গেছে, সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। শুকনো মৌসুমে ধুলার ঝড় আর বর্ষায় জলাবদ্ধতায় রাস্তাটি পরিণত হয় দুর্ভোগের কেন্দ্রস্থলে।

 

এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক ও যানবাহন চলাচল করলেও তাদের জন্য নেই ন্যূনতম স্বস্তি। ধুলাবালির কারণে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট ও অ্যালার্জির মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি। আবার বৃষ্টির দিনে পানি জমে তৈরি হয় কাদা আর দুর্গন্ধ, যা পথচলাকে আরও কষ্টকর করে তোলে।

 

এছাড়া সড়কটি কুষ্টিয়া-প্রাগপুর ও মহিষকুন্ডি জাতীয় সড়কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করায় এর গুরুত্ব অনেক বেশি। কিন্তু রাস্তার সংকীর্ণতা ও ভাঙাচোরা অবস্থার কারণে প্রায়ই সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। এতে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য।

 

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের দাবি জানালেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়েনি। তাদের মতে, অবৈধ দখল ও অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সমস্যা আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

 

এ অবস্থায় এলাকাবাসীর জোর দাবি দায়সারা মেরামত নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে রাস্তা প্রশস্তকরণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। দৌলতপুরের অর্থনৈতিক গতিশীলতা ধরে রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।