ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আদ্রা গ্রামে রাস্তা দখল, চলাচল বন্ধ হয়ে ভোগান্তিতে ৩ শতাধিক পরিবার

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৩২০ বার দেখেছেন

Screenshot

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা উত্তর ইউনিয়নের আদ্রা উত্তর পূর্ব পাড়া মৌলভী বাড়ীর পাকা ব্রিজ থেকে জনাব আলী আশ্রাফ মজুমদারের বাড়ির ব্রিজ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক দীর্ঘ বছর ধরে দখল করে রেখেছে স্থানীয় কিছু সুবিধাভোগী দখলদার।

 

অভিযোগ রয়েছে, এসব দখলদার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দখলে রেখে চলাচল বন্ধ করে রেখেছে। দখলদারদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মান্নানের ছেলে মকবুল আহমেদ মন্টু ও তার ভাই মোশাররফ হোসেন লিটন, মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে নজরুল ইসলাম সোহেল, তাদের চাচা অজি উল্লাহ এবং শাহাবুদ্দিন স্বপন গং।

 

স্থানীয়দের দাবি, তারা বিগত বছরগুলোতে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে সরকারি খালপাড়ের এই রাস্তা দখল করে রেখেছে। এতে করে গ্রামের প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ পরিবারের চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। দখলদাররা কেউ বসতঘর (বিল্ডিং), কেউ টয়লেট এবং কেউ দোকান নির্মাণ করে রাস্তা দখল করে রেখেছে।

 

এ কারণে ভুক্তভোগীদের মধ্যে জনাব আলী আশ্রাফ মজুমদারের বাড়ী, এড. আবদুর রহমানের বাড়ী, তীতাগাজী ভুঁইয়া বাড়ী, জনাব আবুল কাশেমের বাড়ি ও মাছুমার বাপের বাড়ির পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে। তারা দখলদারদের কারণে জিম্মি হয়ে অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করছে বলে জানা গেছে।

 

এদিকে, বন্ধ হয়ে থাকা রাস্তার পশ্চিম-উত্তর পাশে রয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, যেখানে স্থানীয় নির্বাচনের ভোট কেন্দ্রও স্থাপন করা হয়। কিন্তু রাস্তা বন্ধ থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না এবং নির্বাচনের সময় ভোটাররাও কেন্দ্রে পৌঁছাতে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হয়।

 

অভিযুক্তদের দাবি, এখানে কোন সরকারি যায়গা নেই, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহিন এবং বানোয়াট। আমরা আমাদের নিজস্ব সম্পত্তিতে স্থাপনা তৈরি করেছি।

 

অভিযুক্তদের মিথ্যা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী জনাব আলী আশ্রাফ মজুমদারের ছোট ছেলে বেলায়েত বলেন, এটা যে একটা সরকারি রাস্তা তার সম্পূর্ণ তথ্য প্রমাণ রয়েছে। কেননা ২৯/১২/২০০৪ ইং তারিখে নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কার্যালয় হতে একটি নথিতে উল্লেখ রয়েছে, ব্রিজ হইতে আলী আশ্রাফ মজুমদারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা পুননির্মাণ। বেলায়েত বলেন, পুননির্মাণ শব্দটি সরকার তখনই ব্যাবহার করে যখন এর পূর্বে এখানে কোন কিছু নির্মাণ করা হয়ে থাকে।

স্থানীয় জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সবাই চান অতীতের মতো এই রাস্তাটি পুনরায় চালু হোক। তাদের মতে, রাস্তাটি পুনরায় চালু হলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর চলাচল সহজ হবে এবং গ্রামের পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ার মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

বিদেশে নেওয়ার প্রলোভনে ৪০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, টাকা ফেরতের দাবিতে গোপালগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আদ্রা গ্রামে রাস্তা দখল, চলাচল বন্ধ হয়ে ভোগান্তিতে ৩ শতাধিক পরিবার

সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা উত্তর ইউনিয়নের আদ্রা উত্তর পূর্ব পাড়া মৌলভী বাড়ীর পাকা ব্রিজ থেকে জনাব আলী আশ্রাফ মজুমদারের বাড়ির ব্রিজ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক দীর্ঘ বছর ধরে দখল করে রেখেছে স্থানীয় কিছু সুবিধাভোগী দখলদার।

 

অভিযোগ রয়েছে, এসব দখলদার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দখলে রেখে চলাচল বন্ধ করে রেখেছে। দখলদারদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মান্নানের ছেলে মকবুল আহমেদ মন্টু ও তার ভাই মোশাররফ হোসেন লিটন, মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে নজরুল ইসলাম সোহেল, তাদের চাচা অজি উল্লাহ এবং শাহাবুদ্দিন স্বপন গং।

 

স্থানীয়দের দাবি, তারা বিগত বছরগুলোতে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে সরকারি খালপাড়ের এই রাস্তা দখল করে রেখেছে। এতে করে গ্রামের প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ পরিবারের চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। দখলদাররা কেউ বসতঘর (বিল্ডিং), কেউ টয়লেট এবং কেউ দোকান নির্মাণ করে রাস্তা দখল করে রেখেছে।

 

এ কারণে ভুক্তভোগীদের মধ্যে জনাব আলী আশ্রাফ মজুমদারের বাড়ী, এড. আবদুর রহমানের বাড়ী, তীতাগাজী ভুঁইয়া বাড়ী, জনাব আবুল কাশেমের বাড়ি ও মাছুমার বাপের বাড়ির পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে। তারা দখলদারদের কারণে জিম্মি হয়ে অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করছে বলে জানা গেছে।

 

এদিকে, বন্ধ হয়ে থাকা রাস্তার পশ্চিম-উত্তর পাশে রয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, যেখানে স্থানীয় নির্বাচনের ভোট কেন্দ্রও স্থাপন করা হয়। কিন্তু রাস্তা বন্ধ থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না এবং নির্বাচনের সময় ভোটাররাও কেন্দ্রে পৌঁছাতে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হয়।

 

অভিযুক্তদের দাবি, এখানে কোন সরকারি যায়গা নেই, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহিন এবং বানোয়াট। আমরা আমাদের নিজস্ব সম্পত্তিতে স্থাপনা তৈরি করেছি।

 

অভিযুক্তদের মিথ্যা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী জনাব আলী আশ্রাফ মজুমদারের ছোট ছেলে বেলায়েত বলেন, এটা যে একটা সরকারি রাস্তা তার সম্পূর্ণ তথ্য প্রমাণ রয়েছে। কেননা ২৯/১২/২০০৪ ইং তারিখে নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কার্যালয় হতে একটি নথিতে উল্লেখ রয়েছে, ব্রিজ হইতে আলী আশ্রাফ মজুমদারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা পুননির্মাণ। বেলায়েত বলেন, পুননির্মাণ শব্দটি সরকার তখনই ব্যাবহার করে যখন এর পূর্বে এখানে কোন কিছু নির্মাণ করা হয়ে থাকে।

স্থানীয় জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সবাই চান অতীতের মতো এই রাস্তাটি পুনরায় চালু হোক। তাদের মতে, রাস্তাটি পুনরায় চালু হলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর চলাচল সহজ হবে এবং গ্রামের পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ার মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।