ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন নূরজাহান বেগম

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২২৮ বার দেখেছেন

শফিকুজ্জামান সোহেল
‎স্টাফ রিপোর্টার

‎ঘর তো নয়, যেন মুরগির খোঁয়ার। দিনের পর দিন অনেকটা মুরগির খোয়ারের মত দেখতে ভাঙ্গা ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন নূরজাহান বেগম।

‎রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের সাতভিটা গ্রামে বসবাস করেন নূরজাহান বেগম। বয়স পঞ্চাশের মত। কৈশোরেই বাবা-মা হারিয়ে বড় হয়েছেন মামাদের সংসারে। জীবনের কষ্ট তখন থেকেই শুরু। বড় হওয়ার পর বিয়ে হলেও সুখ বেশিদিন টেকেনি। মানসিক প্রতিবন্ধী স্বামীর সঙ্গে সংসার করার এক বছরের মাথায় সেই স্বামীও মারা যান।

‎এরপর থেকে মামা-খালাদের বাড়িতে আশ্রিত জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। অন্যের বাড়িতে কাজ করে, কখনো খেয়ে, কখনো না খেয়ে কোনোমতে বেঁচে আছেন নূরজাহান। বর্তমানে দুই খালার পাঁচ শতকের ভিটের এক কোণে জীর্ণ-শীর্ণ একটি ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তিনি।

‎সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তার থাকার ঘরটি দেখতে অনেকটাই মুরগির খোঁয়ারের মতো। সোজা হয়ে ঢোকার সুযোগ নেই। এই ঘরেই দিনের পর দিন, বছরের পর বছর কাটছে নূরজাহানের জীবন।

‎নূরজাহান বেগম জানান, শীতের রাতে তিনি ঘুমাতে পারেননা। বাতাস, কুয়াশা সব ঘরের ভেতরে ঢুকে। সারারাত জেগে থাকেন তিনি। বর্ষাকালে পানি পড়ে, বিছানা ভিজে যায়।

‎তার চাওয়া খুব বেশি কিছু নয়। একটি নিরাপদ ঘর আর শীত নিবারণের জন্য সামান্য তোষক আর কম্বল।

‎নূরজাহান বেগমের প্রতিবেশীরা বলেন, নূরজাহানের ছোটবেলা থেকেই দুঃখ-কষ্ট। বাবা-মা নেই, স্বামী নেই, সন্তান নেই। যে ঘরে থাকেন, মুরগির খোঁয়ারও এর চেয়ে ভালো। তারা সরকারসহ সমাজের বিত্তবানদের নূরজাহানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

‎তারা বলেন আসুন সবাই মিলে তাকে সহযোগিতা করি। যাতে তার একটা ঘরের ব্যবস্থা হয়। প্রয়োজনে 01783215597 (প্রতিবেশী) এই নাম্বারে ফোন করে তার সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

বিদেশে নেওয়ার প্রলোভনে ৪০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, টাকা ফেরতের দাবিতে গোপালগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন

ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন নূরজাহান বেগম

সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

শফিকুজ্জামান সোহেল
‎স্টাফ রিপোর্টার

‎ঘর তো নয়, যেন মুরগির খোঁয়ার। দিনের পর দিন অনেকটা মুরগির খোয়ারের মত দেখতে ভাঙ্গা ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন নূরজাহান বেগম।

‎রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের সাতভিটা গ্রামে বসবাস করেন নূরজাহান বেগম। বয়স পঞ্চাশের মত। কৈশোরেই বাবা-মা হারিয়ে বড় হয়েছেন মামাদের সংসারে। জীবনের কষ্ট তখন থেকেই শুরু। বড় হওয়ার পর বিয়ে হলেও সুখ বেশিদিন টেকেনি। মানসিক প্রতিবন্ধী স্বামীর সঙ্গে সংসার করার এক বছরের মাথায় সেই স্বামীও মারা যান।

‎এরপর থেকে মামা-খালাদের বাড়িতে আশ্রিত জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। অন্যের বাড়িতে কাজ করে, কখনো খেয়ে, কখনো না খেয়ে কোনোমতে বেঁচে আছেন নূরজাহান। বর্তমানে দুই খালার পাঁচ শতকের ভিটের এক কোণে জীর্ণ-শীর্ণ একটি ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তিনি।

‎সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তার থাকার ঘরটি দেখতে অনেকটাই মুরগির খোঁয়ারের মতো। সোজা হয়ে ঢোকার সুযোগ নেই। এই ঘরেই দিনের পর দিন, বছরের পর বছর কাটছে নূরজাহানের জীবন।

‎নূরজাহান বেগম জানান, শীতের রাতে তিনি ঘুমাতে পারেননা। বাতাস, কুয়াশা সব ঘরের ভেতরে ঢুকে। সারারাত জেগে থাকেন তিনি। বর্ষাকালে পানি পড়ে, বিছানা ভিজে যায়।

‎তার চাওয়া খুব বেশি কিছু নয়। একটি নিরাপদ ঘর আর শীত নিবারণের জন্য সামান্য তোষক আর কম্বল।

‎নূরজাহান বেগমের প্রতিবেশীরা বলেন, নূরজাহানের ছোটবেলা থেকেই দুঃখ-কষ্ট। বাবা-মা নেই, স্বামী নেই, সন্তান নেই। যে ঘরে থাকেন, মুরগির খোঁয়ারও এর চেয়ে ভালো। তারা সরকারসহ সমাজের বিত্তবানদের নূরজাহানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

‎তারা বলেন আসুন সবাই মিলে তাকে সহযোগিতা করি। যাতে তার একটা ঘরের ব্যবস্থা হয়। প্রয়োজনে 01783215597 (প্রতিবেশী) এই নাম্বারে ফোন করে তার সঙ্গে কথা বলতে পারেন।