ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা উত্তরার ১২ নং সেক্টরে গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের নেতা মো. রয়েল হাসান রবীন গ্রেফতার

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৪১:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২১৯ বার দেখেছেন

মোঃ মমিনুল ইসলাম দিপু গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

রাজধানী ঢাকার উত্তরা মডেল টাউনের ১২ নং সেক্টরে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে *গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের*(বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন) একজন নেতা *মো. রয়েল হাসান রবীন* (রবীন হাসান ওরফে রয়েল) কে গ্রেফতার করেছে *উত্তরা থানা পুলিশ* এবং *ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের* যৌথ টিম।

ঘটনার বিবরণ
অভিযানটি সাম্প্রতিক সময়ে ১৬ জানুয়ারি ২০২৬-এর শুক্রবার রাতে পরিচালিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উত্তরা এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, পরোয়ানাভুক্ত আসামি, এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের লক্ষ্যে এই অভিযান চালানো হয়। রয়েল হাসান রবীনকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অথবা নির্দিষ্ট তথ্যের মাধ্যমে শনাক্ত করে আটক করা হয়।

গ্রেফতারের পর তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি অফিসে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:
– নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ ও কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ
– পুরোনো রাজনৈতিক সহিংসতা বা চাঁদাবাজি/সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত মামলা

পটভূমি
*মো. রয়েল হাসান রবীন* গাইবান্ধা জেলার ছাত্রলীগের একজন পরিচিত মুখ ছিলেন। ২০২৪ সালের আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এবং এর অনেক নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করা হয়। গাইবান্ধায়ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে

উত্তরা এলাকায় সম্প্রতি পুলিশের বিশেষ অভিযান বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত একাধিক অভিযানে ১০-২০ জন করে অপরাধী গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বর্তমান অবস্থা
গ্রেফতারের পর রয়েল হাসান রবীনকে আদালতে তোলা হবে এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা বা নতুন মামলা দায়েরের সম্ভাবনা রয়েছে। পুলিশ আরও জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তার সহযোগীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

এই গ্রেফতারকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষিদ্ধ সংগঠনের অবশিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিদেশে নেওয়ার প্রলোভনে ৪০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, টাকা ফেরতের দাবিতে গোপালগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা উত্তরার ১২ নং সেক্টরে গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের নেতা মো. রয়েল হাসান রবীন গ্রেফতার

সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৪১:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

মোঃ মমিনুল ইসলাম দিপু গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

রাজধানী ঢাকার উত্তরা মডেল টাউনের ১২ নং সেক্টরে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে *গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের*(বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন) একজন নেতা *মো. রয়েল হাসান রবীন* (রবীন হাসান ওরফে রয়েল) কে গ্রেফতার করেছে *উত্তরা থানা পুলিশ* এবং *ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের* যৌথ টিম।

ঘটনার বিবরণ
অভিযানটি সাম্প্রতিক সময়ে ১৬ জানুয়ারি ২০২৬-এর শুক্রবার রাতে পরিচালিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উত্তরা এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, পরোয়ানাভুক্ত আসামি, এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের লক্ষ্যে এই অভিযান চালানো হয়। রয়েল হাসান রবীনকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অথবা নির্দিষ্ট তথ্যের মাধ্যমে শনাক্ত করে আটক করা হয়।

গ্রেফতারের পর তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি অফিসে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:
– নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ ও কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ
– পুরোনো রাজনৈতিক সহিংসতা বা চাঁদাবাজি/সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত মামলা

পটভূমি
*মো. রয়েল হাসান রবীন* গাইবান্ধা জেলার ছাত্রলীগের একজন পরিচিত মুখ ছিলেন। ২০২৪ সালের আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এবং এর অনেক নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করা হয়। গাইবান্ধায়ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে

উত্তরা এলাকায় সম্প্রতি পুলিশের বিশেষ অভিযান বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত একাধিক অভিযানে ১০-২০ জন করে অপরাধী গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বর্তমান অবস্থা
গ্রেফতারের পর রয়েল হাসান রবীনকে আদালতে তোলা হবে এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা বা নতুন মামলা দায়েরের সম্ভাবনা রয়েছে। পুলিশ আরও জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তার সহযোগীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

এই গ্রেফতারকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষিদ্ধ সংগঠনের অবশিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।