ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“বান্দরবান-৩০০ আসনে এনসিপির প্রার্থী এস এম সুজাউদ্দিন সুজা: শুরু হলো আলোচনা–সমালোচনা”

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৭৮ বার দেখেছেন

নজরুল ইসলাম (লামা,বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ
বান্দরবান-৩০০ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপি নেতা এস এম সুজাউদ্দিন সুজা–র নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল ১৫ জানুয়ারি এই ঘোষণা আসার পর থেকেই জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা।
তরুণ এই নেতাকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্তে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় অনেকের প্রশ্ন—বান্দরবানে কি এনসিপির যোগ্য কোনো নেতা ছিলেন না, যে কক্সবাজার থেকে প্রার্থী এনে এখানে নির্বাচন করতে হবে? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও চায়ের আড্ডায় এমন প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসছে।
অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী সাঁচিং প্রু জেরি–র বিপরীতে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে হলে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম হলে প্রতিযোগিতা আরও জমে উঠত। তাদের মতে, স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থাকা প্রার্থীই ভোটের মাঠে বেশি প্রভাব ফেলতে সক্ষম হন।
তবে এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দলীয় কৌশল ও জাতীয় রাজনীতির সমন্বয়ের অংশ হিসেবেই এস এম সুজাউদ্দিন সুজাকে প্রার্থী করা হয়েছে। আগামী দিনে তার রাজনৈতিক কর্মসূচি ও মাঠপর্যায়ের তৎপরতার ওপরই নির্ভর করবে বান্দরবানবাসীর আস্থা অর্জনের বিষয়টি।
এদিকে প্রার্থী ঘোষণার পরপরই বান্দরবান-৩০০ আসনের নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে, যা আগামী দিনগুলোতে আরও তীব্র হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

সম্পদের উৎস নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা অভিযোগ চাঁদাবাজি ও মানহানির; মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলছেন সাংবাদিকরা

“বান্দরবান-৩০০ আসনে এনসিপির প্রার্থী এস এম সুজাউদ্দিন সুজা: শুরু হলো আলোচনা–সমালোচনা”

সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

নজরুল ইসলাম (লামা,বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ
বান্দরবান-৩০০ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপি নেতা এস এম সুজাউদ্দিন সুজা–র নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল ১৫ জানুয়ারি এই ঘোষণা আসার পর থেকেই জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা।
তরুণ এই নেতাকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্তে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় অনেকের প্রশ্ন—বান্দরবানে কি এনসিপির যোগ্য কোনো নেতা ছিলেন না, যে কক্সবাজার থেকে প্রার্থী এনে এখানে নির্বাচন করতে হবে? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও চায়ের আড্ডায় এমন প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসছে।
অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী সাঁচিং প্রু জেরি–র বিপরীতে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে হলে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম হলে প্রতিযোগিতা আরও জমে উঠত। তাদের মতে, স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থাকা প্রার্থীই ভোটের মাঠে বেশি প্রভাব ফেলতে সক্ষম হন।
তবে এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দলীয় কৌশল ও জাতীয় রাজনীতির সমন্বয়ের অংশ হিসেবেই এস এম সুজাউদ্দিন সুজাকে প্রার্থী করা হয়েছে। আগামী দিনে তার রাজনৈতিক কর্মসূচি ও মাঠপর্যায়ের তৎপরতার ওপরই নির্ভর করবে বান্দরবানবাসীর আস্থা অর্জনের বিষয়টি।
এদিকে প্রার্থী ঘোষণার পরপরই বান্দরবান-৩০০ আসনের নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে, যা আগামী দিনগুলোতে আরও তীব্র হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা