ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় কৃষিজমির টপ সয়েল বিক্রির হিড়িক প্রশাসনের নীরবতায় উর্বরতা ও পরিবেশ হুমকির মুখে

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২২৭ বার দেখেছেন

মোঃ মমিনুল ইসলাম দিপু গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :

গাইবান্ধায় কৃষিজমির উর্বর মাটি বা টপ সয়েল কেটে বিক্রির প্রতিযোগিতা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের চোখের সামনেই অবাধে টপ সয়েল কাটা ও বিক্রি হচ্ছে, যা কৃষি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে।
বাংলাদেশে কৃষিজমির টপ সয়েল কাটা নিষিদ্ধ করতে কৃষি জমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন এবং বালি ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধনী) বিল-২০২৩ প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো ফসলি জমির উর্বরতা রক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা। আইন অনুযায়ী কৃষিজমির টপ সয়েল কাটলে জেল ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে বাস্তবে এসব আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও জনসচেতনতার ঘাটতি স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গাইবান্ধার বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যেই কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি কেটে ট্রাক ও কাঁকড়া গাড়িতে করে বিক্রি করা হচ্ছে। বিশেষ করে মদনের পাড়া থেকে কালির বাজার রোড (চন্দিয়া) এলাকায় মেইন সড়কের পাশ থেকেই দিনের পর দিন জমির টপ সয়েল উঠানো হচ্ছে। এতে জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—দেশে এত আইন থাকার পরও যদি তা প্রয়োগ না হয়, তবে এসব আইনের কার্যকারিতা কোথায়? তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসন সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করছে। ফলে মাটি ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিজমির টপ সয়েল কেটে নেওয়ার ফলে জমির প্রাকৃতিক উর্বরতা কমে যায়, উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। একই সঙ্গে নদী, খাল ও পরিবেশের ওপরও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়।
এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে অবৈধভাবে টপ সয়েল কাটা ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানান।

বিদেশে নেওয়ার প্রলোভনে ৪০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, টাকা ফেরতের দাবিতে গোপালগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন

গাইবান্ধায় কৃষিজমির টপ সয়েল বিক্রির হিড়িক প্রশাসনের নীরবতায় উর্বরতা ও পরিবেশ হুমকির মুখে

সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

মোঃ মমিনুল ইসলাম দিপু গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :

গাইবান্ধায় কৃষিজমির উর্বর মাটি বা টপ সয়েল কেটে বিক্রির প্রতিযোগিতা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের চোখের সামনেই অবাধে টপ সয়েল কাটা ও বিক্রি হচ্ছে, যা কৃষি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে।
বাংলাদেশে কৃষিজমির টপ সয়েল কাটা নিষিদ্ধ করতে কৃষি জমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন এবং বালি ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধনী) বিল-২০২৩ প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো ফসলি জমির উর্বরতা রক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা। আইন অনুযায়ী কৃষিজমির টপ সয়েল কাটলে জেল ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে বাস্তবে এসব আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও জনসচেতনতার ঘাটতি স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গাইবান্ধার বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যেই কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি কেটে ট্রাক ও কাঁকড়া গাড়িতে করে বিক্রি করা হচ্ছে। বিশেষ করে মদনের পাড়া থেকে কালির বাজার রোড (চন্দিয়া) এলাকায় মেইন সড়কের পাশ থেকেই দিনের পর দিন জমির টপ সয়েল উঠানো হচ্ছে। এতে জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—দেশে এত আইন থাকার পরও যদি তা প্রয়োগ না হয়, তবে এসব আইনের কার্যকারিতা কোথায়? তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসন সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করছে। ফলে মাটি ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিজমির টপ সয়েল কেটে নেওয়ার ফলে জমির প্রাকৃতিক উর্বরতা কমে যায়, উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। একই সঙ্গে নদী, খাল ও পরিবেশের ওপরও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়।
এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে অবৈধভাবে টপ সয়েল কাটা ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানান।