ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাবিতে ইতিহাস বিভাগের অ্যালামনায়ে অংশ নিলেন পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ইতিহাস বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের দ্বাদশ দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আয়োজিত হয়। উক্ত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম।

 

সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর মিলনায়তনে উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

 

ওমর বীন কুমার সভাপতিত্বে ইতিহাস বিভাগের সভাপতি ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. শেরেজ্জামান বলেন, আমাদের এই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পথিকৃৎ সংগঠন হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা এবং অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান—এই সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য।

 

অ্যালামনাইতে অংশ নিতে আসা ১৯৯১-৯২ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, আমি প্রতি বারই এই মিলনমেলায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করি। এই আয়োজনের মাধ্যমে পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, অনেকদিন পর একসাথে মিলিত হয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করা যায়। যেহেতু এই আয়োজন দুই বছর পরপর হয়, তাই আমি আশা করি এটি প্রতি বছর আয়োজন করা হবে।

 

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে ছিল পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং নাস্তা ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন।

 

দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি, সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলন ও স্মৃতিচারণায় মুখর হয়ে ওঠে ইতিহাস বিভাগের এই সম্মেলন। এ আয়োজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে প্রজন্মের সেতুবন্ধন তৈরি করে।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. শরিফ উদ্দিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দীন।

 

এছাড়া অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. শেরেজ্জামানসহ ইতিহাস বিভাগের সাবেক ও বর্তমান প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

রাবিতে ইতিহাস বিভাগের অ্যালামনায়ে অংশ নিলেন পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী

সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ইতিহাস বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের দ্বাদশ দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আয়োজিত হয়। উক্ত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম।

 

সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর মিলনায়তনে উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

 

ওমর বীন কুমার সভাপতিত্বে ইতিহাস বিভাগের সভাপতি ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. শেরেজ্জামান বলেন, আমাদের এই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পথিকৃৎ সংগঠন হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা এবং অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান—এই সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য।

 

অ্যালামনাইতে অংশ নিতে আসা ১৯৯১-৯২ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, আমি প্রতি বারই এই মিলনমেলায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করি। এই আয়োজনের মাধ্যমে পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, অনেকদিন পর একসাথে মিলিত হয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করা যায়। যেহেতু এই আয়োজন দুই বছর পরপর হয়, তাই আমি আশা করি এটি প্রতি বছর আয়োজন করা হবে।

 

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে ছিল পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং নাস্তা ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন।

 

দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি, সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলন ও স্মৃতিচারণায় মুখর হয়ে ওঠে ইতিহাস বিভাগের এই সম্মেলন। এ আয়োজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে প্রজন্মের সেতুবন্ধন তৈরি করে।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. শরিফ উদ্দিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দীন।

 

এছাড়া অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. শেরেজ্জামানসহ ইতিহাস বিভাগের সাবেক ও বর্তমান প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।