ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“লামায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন ১০ মার্চ, তালিকায় ১০৯৭ উপকারভোগী”

বান্দরবানের লামা উপজেলায় নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে আগামী ১০ মার্চ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের সূচনা ঘোষণা করবেন চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঈন উদ্দিন জানিয়েছেন, উপজেলায় প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ২৭৪ জন উপকারভোগীর তালিকা প্রস্তুত করা হয়। পরে যাচাই-বাছাইয়ের সময় ১৩৮ জনের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাওয়া যায়নি এবং কম্পিউটার সিস্টেম থেকে আরও ৬টি নাম বাদ পড়ে।
সবশেষ যাচাই শেষে বর্তমানে ১ হাজার ৯৭ জন উপকারভোগীর চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, যারা ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সুবিধা পাবেন। তবে যাচাই প্রক্রিয়ায় যদি কেউ বাদ পড়ে থাকেন, তাহলে তাদের তথ্য যাচাই সাপেক্ষে তালিকায় যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান ইউএনও।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমটি প্রথমে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে শুরু হয়। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে অন্যান্য এলাকায়ও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো সরকার নির্ধারিত সুবিধা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

“লামায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন ১০ মার্চ, তালিকায় ১০৯৭ উপকারভোগী”

সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

বান্দরবানের লামা উপজেলায় নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে আগামী ১০ মার্চ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের সূচনা ঘোষণা করবেন চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঈন উদ্দিন জানিয়েছেন, উপজেলায় প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ২৭৪ জন উপকারভোগীর তালিকা প্রস্তুত করা হয়। পরে যাচাই-বাছাইয়ের সময় ১৩৮ জনের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাওয়া যায়নি এবং কম্পিউটার সিস্টেম থেকে আরও ৬টি নাম বাদ পড়ে।
সবশেষ যাচাই শেষে বর্তমানে ১ হাজার ৯৭ জন উপকারভোগীর চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, যারা ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সুবিধা পাবেন। তবে যাচাই প্রক্রিয়ায় যদি কেউ বাদ পড়ে থাকেন, তাহলে তাদের তথ্য যাচাই সাপেক্ষে তালিকায় যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান ইউএনও।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমটি প্রথমে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে শুরু হয়। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে অন্যান্য এলাকায়ও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো সরকার নির্ধারিত সুবিধা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।