ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লামা উপজেলায় রাতের জরুরি ঔষধ সেবার জন্য ফার্মেসি খোলা রাখার উদ্যোগ

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৫ বার দেখেছেন

নজরুল ইসলাম (লামা) বান্দরবান প্রতিনিধি:

অবশেষে লামা উপজেলায় প্রতিদিন রোস্টার পদ্ধতিতে রাতের বেলা ৭টি ফার্মেসি খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) লামা উপজেলার সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। লামা উপজেলার বাজারের সকল ফার্মেসির মালিক ও কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জি এম নাদিম এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সোলেমান-এর উপস্থিতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপজেলার চিকিৎসা ও ঔষধ সেবার সার্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে রাতের বেলা রোগীদের ঔষধ প্রাপ্তির সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, পূর্বের ন্যায় প্রতিদিন রোস্টার পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট ৭টি ফার্মেসি রাতের সময় খোলা থাকবে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে লামা উপজেলার সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে জরুরি রোগীরা রাতের বেলা সহজেই প্রয়োজনীয় ঔষধ ও চিকিৎসাসেবা পেতে সক্ষম হবে। ফলে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হবে এবং জনগণের ভোগান্তি কমবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
৭টি ফার্মেসীর তালিকা ও মোবাইল নাম্বার হাসপাতালের জরুরী বিভাগ এবং ফার্মেসির সামনে প্রকাশ করা হবে, যাতে প্রয়োজনে সহজেই যোগাযোগ করা যায়।

লামা উপজেলায় রাতের জরুরি ঔষধ সেবার জন্য ফার্মেসি খোলা রাখার উদ্যোগ

সর্বশেষ আপডেট : ০১:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

নজরুল ইসলাম (লামা) বান্দরবান প্রতিনিধি:

অবশেষে লামা উপজেলায় প্রতিদিন রোস্টার পদ্ধতিতে রাতের বেলা ৭টি ফার্মেসি খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) লামা উপজেলার সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। লামা উপজেলার বাজারের সকল ফার্মেসির মালিক ও কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জি এম নাদিম এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সোলেমান-এর উপস্থিতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপজেলার চিকিৎসা ও ঔষধ সেবার সার্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে রাতের বেলা রোগীদের ঔষধ প্রাপ্তির সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, পূর্বের ন্যায় প্রতিদিন রোস্টার পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট ৭টি ফার্মেসি রাতের সময় খোলা থাকবে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে লামা উপজেলার সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে জরুরি রোগীরা রাতের বেলা সহজেই প্রয়োজনীয় ঔষধ ও চিকিৎসাসেবা পেতে সক্ষম হবে। ফলে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হবে এবং জনগণের ভোগান্তি কমবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
৭টি ফার্মেসীর তালিকা ও মোবাইল নাম্বার হাসপাতালের জরুরী বিভাগ এবং ফার্মেসির সামনে প্রকাশ করা হবে, যাতে প্রয়োজনে সহজেই যোগাযোগ করা যায়।