ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে পাঞ্জাবীর বোতাম খুলে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট দেখালেন বিএনপি প্রার্থী

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:১১:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৭৪ বার দেখেছেন

মোঃ আবিদ হাসান মুছা, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনের বিএনপি প্রার্থী এস এম জিলানী তার জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা তুলে ধরে জনসম্মুখে জামা খুলে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট দেখিয়েছেন। এসময় তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের জীবনের হুমকি আছে- এটা সত্যি। দেখেন, আমি বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরে আছি। জানি না কখন কী হয়? তারপরও জনগণের পাশে থাকার ঝুঁকি আমি নিয়েছি।’

সম্প্রতি সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় কোটালীপাড়া উপজেলার কাজী ফিলিং স্টেশনের পাশে নির্মিত অস্থায়ী ক্যাম্পে সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট দেখান।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এস এম জিলানী বলেন, ‘সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে আসবে না।’ এ সময় তিনি নিজের শরীরের ওপর থাকা চাদর সরিয়ে পাঞ্জাবির বোতাম খুলে ভেতরে পরা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট দেখিয়ে বলেন,

‘আমাদের জীবনের হুমকি আছে, এটা সত্য। দেখেন, এখনও বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে আছি। জানি না কখন কী হয়, তাই সতর্ক থাকি। মৃত্যুঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও কেবল আপনাদের পাশে থাকার জন্যই এই ঝুঁকি নিয়েছি। ১৭ বছর ধরেই এই ঝুঁকি নিয়ে মাঠে আছি। এখন তো তুলনামূলক ভালো সময়। বিগত ১৭ বছরে আমি এলাকা ছাড়িনি।’

তাকে আরও বলতে শোনা যায়, আমি ২০০৮ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় আমাকে কারাগারে রাখা হয়। আমার স্ত্রী আমার সাক্ষর নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল, কিন্তু সেটা তৎকালীন প্রশাসন বাতিল দেয়। আমি যদি নির্বাচনে থাকতে পারতাম, কত ভোট পেতাম? আমি কি নির্বাচনে জিতে যেতাম না? কিন্তু আমাকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছিল।

কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার বলেন, আমাদের নেতা এস এম জিলানী এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন যে ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন ও নিপীড়নের মধ্যেও তিনি জনগণের পাশে ছিলেন। এখনও তিনি জনগণকে ভালোবাসেন এবং সব সময় নেতাকর্মীদের পাশে থাকেন। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েও মাঠে থাকার বিষয়টি নেতাকর্মীদের অনুপ্রাণিত করছে।

গোপালগঞ্জে পাঞ্জাবীর বোতাম খুলে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট দেখালেন বিএনপি প্রার্থী

সর্বশেষ আপডেট : ০৩:১১:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

মোঃ আবিদ হাসান মুছা, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনের বিএনপি প্রার্থী এস এম জিলানী তার জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা তুলে ধরে জনসম্মুখে জামা খুলে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট দেখিয়েছেন। এসময় তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের জীবনের হুমকি আছে- এটা সত্যি। দেখেন, আমি বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরে আছি। জানি না কখন কী হয়? তারপরও জনগণের পাশে থাকার ঝুঁকি আমি নিয়েছি।’

সম্প্রতি সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় কোটালীপাড়া উপজেলার কাজী ফিলিং স্টেশনের পাশে নির্মিত অস্থায়ী ক্যাম্পে সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট দেখান।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এস এম জিলানী বলেন, ‘সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে আসবে না।’ এ সময় তিনি নিজের শরীরের ওপর থাকা চাদর সরিয়ে পাঞ্জাবির বোতাম খুলে ভেতরে পরা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট দেখিয়ে বলেন,

‘আমাদের জীবনের হুমকি আছে, এটা সত্য। দেখেন, এখনও বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে আছি। জানি না কখন কী হয়, তাই সতর্ক থাকি। মৃত্যুঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও কেবল আপনাদের পাশে থাকার জন্যই এই ঝুঁকি নিয়েছি। ১৭ বছর ধরেই এই ঝুঁকি নিয়ে মাঠে আছি। এখন তো তুলনামূলক ভালো সময়। বিগত ১৭ বছরে আমি এলাকা ছাড়িনি।’

তাকে আরও বলতে শোনা যায়, আমি ২০০৮ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় আমাকে কারাগারে রাখা হয়। আমার স্ত্রী আমার সাক্ষর নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল, কিন্তু সেটা তৎকালীন প্রশাসন বাতিল দেয়। আমি যদি নির্বাচনে থাকতে পারতাম, কত ভোট পেতাম? আমি কি নির্বাচনে জিতে যেতাম না? কিন্তু আমাকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছিল।

কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার বলেন, আমাদের নেতা এস এম জিলানী এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন যে ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন ও নিপীড়নের মধ্যেও তিনি জনগণের পাশে ছিলেন। এখনও তিনি জনগণকে ভালোবাসেন এবং সব সময় নেতাকর্মীদের পাশে থাকেন। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েও মাঠে থাকার বিষয়টি নেতাকর্মীদের অনুপ্রাণিত করছে।