ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্তান লালন-পালনে সচেতনতার আহ্বান ।। বিশেষ প্রতিবেদন:

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫৪:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৫ বার দেখেছেন

মোঃ মমিনুল ইসলাম দিপু গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
সন্তানদের সঠিক মানসিক ও নৈতিক বিকাশ নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন সমাজবিশেষজ্ঞ ও শিশু মনোবিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, শিশুর বয়স ৬ বছর পূর্ণ হওয়ার পর ধীরে ধীরে কিছু বিষয়ে অভ্যাসগত পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, যাতে তারা সুস্থ মানসিকতা ও নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
ছেলে ও মেয়ে সন্তানকে আলাদা বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস করানো উচিত।
একই বিছানায় দীর্ঘদিন রাখার ফলে শিশুদের কৌতূহল ও বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে, যা ভবিষ্যতে মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে।
বর্তমান সময় আগের মতো নয়—ডিজিটাল ও সামাজিক পরিবেশের প্রভাবে শিশুরা অনেক কিছু দ্রুত বুঝে ফেলে। তাই বয়স ও পরিস্থিতি অনুযায়ী সতর্কতা জরুরি।
এছাড়া, স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয়গুলো যেন শিশুদের সামনে প্রকাশ না পায়, সে দিকেও গুরুত্বারোপ করেছেন তারা। কারণ, এসব বিষয় অল্প বয়সে বুঝে ফেললে শিশুর মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে,
সন্তান ছেলে হোক বা মেয়ে
তাদের নৈতিক শিক্ষা, পারিবারিক শাসন, মূল্যবোধ ও সঠিক দিকনির্দেশনা না পেলে ভবিষ্যতে সামাজিক সমস্যার মুখে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই কেবল নিষেধ নয়, বরং ভালো-মন্দ বোঝানো, সময় দেওয়া, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
সবশেষে তারা বলেন,
“আধুনিক সময়কে মাথায় রেখেই সন্তানদের লালন-পালন করতে হবে। সচেতন অভিভাবকই পারে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে।”
সতর্ক হোন, সচেতন হোন। সন্তানের ভবিষ্যৎ আপনার হাতেই।

সম্পদের উৎস নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা অভিযোগ চাঁদাবাজি ও মানহানির; মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলছেন সাংবাদিকরা

সন্তান লালন-পালনে সচেতনতার আহ্বান ।। বিশেষ প্রতিবেদন:

সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫৪:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

মোঃ মমিনুল ইসলাম দিপু গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
সন্তানদের সঠিক মানসিক ও নৈতিক বিকাশ নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন সমাজবিশেষজ্ঞ ও শিশু মনোবিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, শিশুর বয়স ৬ বছর পূর্ণ হওয়ার পর ধীরে ধীরে কিছু বিষয়ে অভ্যাসগত পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, যাতে তারা সুস্থ মানসিকতা ও নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
ছেলে ও মেয়ে সন্তানকে আলাদা বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস করানো উচিত।
একই বিছানায় দীর্ঘদিন রাখার ফলে শিশুদের কৌতূহল ও বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে, যা ভবিষ্যতে মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে।
বর্তমান সময় আগের মতো নয়—ডিজিটাল ও সামাজিক পরিবেশের প্রভাবে শিশুরা অনেক কিছু দ্রুত বুঝে ফেলে। তাই বয়স ও পরিস্থিতি অনুযায়ী সতর্কতা জরুরি।
এছাড়া, স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয়গুলো যেন শিশুদের সামনে প্রকাশ না পায়, সে দিকেও গুরুত্বারোপ করেছেন তারা। কারণ, এসব বিষয় অল্প বয়সে বুঝে ফেললে শিশুর মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে,
সন্তান ছেলে হোক বা মেয়ে
তাদের নৈতিক শিক্ষা, পারিবারিক শাসন, মূল্যবোধ ও সঠিক দিকনির্দেশনা না পেলে ভবিষ্যতে সামাজিক সমস্যার মুখে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই কেবল নিষেধ নয়, বরং ভালো-মন্দ বোঝানো, সময় দেওয়া, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
সবশেষে তারা বলেন,
“আধুনিক সময়কে মাথায় রেখেই সন্তানদের লালন-পালন করতে হবে। সচেতন অভিভাবকই পারে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে।”
সতর্ক হোন, সচেতন হোন। সন্তানের ভবিষ্যৎ আপনার হাতেই।